মেনু নির্বাচন করুন

প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব

আপলোডের কাজ চলিতেছে

১/     ডঃ মালিক খসরু চৌধুরীঃ

 

জন্মস্থান বাসাইল উপজেলার কাউলজানী গ্রামের চৌধুরী পরিবারে। পিতা মরহুম মমতাজ উদ্দিন চৌধুরী। শৈশবে কাউলজানী হাই মাদ্রাসা হতে ১ম বিভাগে ম্যাট্রিকুলেশন পাশ করে ভর্তি হন কলকাতা ইউনিভার্সিটিতে এবং ইন্টারমিডিয়েট পাশ করেন। দেশ বিভাগের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে বি. এ অনার্স পাশ করার পর ক্যামব্রিজ বিশ্ব বিদ্যালয় হতে অর্থনীতিতে এম. এ ডিগ্রী লাভ করেন। পরবর্তীতে ম্যানচেষ্টার বিশ্ববিদ্যালয় হতে পি. এইচ. ডি. ডিগ্রী লাভ করেন। শিক্ষানুরাগী ডঃ মালিক খসরু চৌধূরী শিক্ষকতার মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৬৯ সনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগে যোগদান করেন। এরপর জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয় এর ডিন হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৫ সনে আমেরিকার প্রখ্যাত কানেকটিকাট স্টেটের বিশ্ব বিখ্যাত YALE ইউনিভার্সিটিতে অধ্যাপনা করেন। নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব শেষে পুনরায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করেন। তিনি সক্রিয় ভাবে ESCAP এর সাথে জড়িত ছিলেন। অসাধারণ প্রতিভাধর এই ব্যক্তি প্রথমে ইন্দোনেশিয়াতে (RESEARCH)  এবং পরবর্তীতে ব্যাংককে রিসার্চ এর কাজ করেন। তিনি বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির প্রধান উপদেষ্টা, কাউলজানী নওশেরীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সাথে দীর্ঘদিন জড়িত ছিলেন। তিনি সখিপুরের হতেয়া ডিগ্রী কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তিনি বিভিন্ন সমাজ কল্যাণমূলক কর্মকান্ডে জড়িত ছিলেন।

 

২/       ডাঃ নাজির আহমেদ চৌধুরী (রনজু)ঃ

 

টাঙ্গাইল জেলার বাসাইল উপজেলার কাউলজানী গ্রামে ১৯৫৬ সনে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা- মরহুম আব্দুল বারী চৌধুরী। শৈশবে গ্রামে লেখাপড়া শুরু। জামুর্কী নবাব স্যার আব্দুল গণি উচ্চ বিদ্যালয় হতে ১৯৭২ সনে প্রথম বিভাগে এস. এস. সি. পাশ করেন। স্বাধীনতা যুদ্ধে রয়েছে তাঁর অবদান। সা’দত কলেজ করটিয়ায় কিছুদিন অধ্যয়নের পর ঢাকা আইডিয়াল কলেজ হতে ১ম বিভাগে এইচ. এস. সি. পাশ করেন ১৯৭৫ সনে । ১৯৭৭ সনে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হন। ১৯৮৩ সনে এম, বি. বি.এস. স্বাস্থ্য ক্যাডার উত্তীর্ণ হয়ে বাসাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক হিসাবে যোগ দেন। ১৯৮৪ সনে ঢাকা হৃদরোগ ইনষ্টিটিটিউটে যোগদান করেন। বর্তমানে সহযোগী অধ্যাপক (কার্ডিওলজজী) পদে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতালে কর্মরত আছেন।

 

৩/    ডাঃ মোঃ শাহজাদা চৌধুরী

 

১৯৪৫ সনে ২৮ ফেব্রুয়ারী, টাঙ্গাইল জেলার বাসাইল উপজেলার কাউলজানী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মরহুম মোজাফফর আলী চৌধুরী। তিনি মাতা-পিতার সর্বকনিষ্ঠ সন্তান। অধ্যাপক চৌধুরী বাল্যকালে পন্ডিত এমদাদুল হকের নিকট হাতেখড়ি নেন। ১৯৬০ সনে কাউলজানী নওশেরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় হতে ম্যাট্রিক এবং ১৯৬৩ সনে করটিয়া সা’দত কলেজ হতে আই,এস,সি পাশ করেন। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হতে ১৯৭২ সনে এম,বি,বি,এস ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে ডিপিএইচ এবং ১৯৮২ সনে যুক্তরাজ্যের লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় হতে এম,এস,সি ডিগ্রী লাভ করেন। ছাত্রজীবনে আন্তঃ মেডিক্যাল ছাত্রলীগের সুদক্ষ সংগঠক, ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। তাঁর গবেষণালব্ধ উদ্ভাবিত কার্যক্রমে রোগ-প্রতিরোধ

৫০।       মমতাজ উদ্দিন তালুকদার

            মমতাজ উদ্দিন তালুকদার, জন্ম- ১৯০৪ সন কাউলজানী তালুকদার বাড়ীতে। পিতা- মরহুম নওশের আলী তালুকদার। কলিকাতা হতে লেখা পড়া শুরু। পরবর্তীতে ১৯২২ সনে পাবনা এ্যাডওয়ার্ড কলেজ থেকে আই,এ, পাশ করেন। অতঃপর ফিরে আসেন কাউলজানী গ্রামে। ১৯২৯ সনে প্রতিষ্ঠা করেন কাউলজানী জুনিয়র মাদ্রাসা। মাদ্রাসাটি জুনিয়র থেকে হাই মাদ্রাসায় উন্নীত হবার পর সেক্রেটারীর দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে প্রাথমিক শিক্ষক হিসাবে যোগদান করেন। মৃত্যুর পূর্ব পযন্ত তিনি কাউলজানী নওশেরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি ছিলেন।

৪/     মোঃ রুহুল আমীন ভূইয়া

            ১৯৬৫ সনের ৩১ ডিসেম্বর কাউলজানী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা- হাজী মহিউদ্দিন ভূইয়া। সেহরাইল কাউলজানী  প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লেখাপড়া শুরু। ১৯৮১ সনে কাউলজানী নওশেরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস,এস,সি এবং ১৯৮৫ সনে কালিহাতী কলেজ থেকে  এইচ,এস,সি পাস করেন। করটিয়া সাদত কলেজ থেকে ১৯৮৭ সনে বি,এ পাস করে বাংলায় এম,এ অধ্যয়ন করেন। এ সময় তিনি শিক্ষা ও সাহিত্য কর্মকান্ডের সাথে জড়িত ছিলেন। সাপ্তাহিক বিদ্রোহী কণ্ঠ পত্রিকায় সর্বপ্রথম লেখালেখি শুরু। তারপর কিছুদিন দৈনিক দিনকাল পত্রিকার বাসাইল প্রতিনিধি হিসাবে কাজ করেন। ১৯৯৫ সনে টাংগাইল কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাংকের বাসাইল-সখিপুর এলাকার পরিচালক নির্বাচিত হন। এলাকার সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের সাথে তিনি নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন।

৫/      আসাদুল্লাহ চৌধুরীঃ

আসাদুল্লাহ চৌধুরী ১৯৩৪ সনের ৭ নভেম্বর বাসাইল উপজেলাধীন কাউলজানী গ্রামে সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। পিতাঃ মরহুম আব্দুল বারী চৌধুরী। শৈশবে কাউলজানী জুনিয়র মাদ্রাসায় প্রাথমিক লেখা পড়া শুরু করেন। ১৯৫৩ সনে কাউলজানী নওশেরিয়া হাই স্কুল হতে মেট্রিকুলেশন পাশ করেন। ১৯৫৫ সনে সা’দত কলেজ করটিয়া হতে ইন্টারমিডিয়েট পাশ করেন। অতঃপর সিলেট সেটেলমেন্ট অফিসে চাকুরীর মাধ্যমে কর্ম জীবন শুরু করেন। কর্মরত অবস্থায় কারমাইকেল কলেজ হতে বি. এ. পাশ করেন। চাকুরী জীবন থেকে ১৯৬৭ সনে অবসর গ্রহণ করেন। ১৯৬৮ সনে দৈনিক পয়গাম পত্রিকায় লেখা লেখির মাধ্যমে আত্ম প্রকাশ করেন। সাপ্তাহিক ঝংকার, লোক কথা, খামোশ, মজলুমের কন্ঠস্বর, পূর্বাকাশ, টাঙ্গাইল সমাচার, মাসিক যমুনা, দৈনিক ইনকিলাব, দৈনিক মিল্লাদ ইত্যাদিতে তার লেখা নিয়মিত ভাবে প্রকাশিত হত। গুনহার, ঝংকার, বাংলার পতন, খালেদ ইবনে অলিদ প্রভৃতি তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ। ২৯ নভেম্বর ২০০৪ সনে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।